সর্বশেষঃ

চরফ্যাশনে জালিয়াতির অভিযোগে দুই মাদ্রাসা সুপারের এমপিও স্থগিত

ডেস্ক রিপোর্ট :

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুই দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বেতন-ভাতা (এমপিও) সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। একই সঙ্গে জালিয়াতি ও ভুয়া নিয়োগ কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কারণে কেন তাদের এমপিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না—এ মর্মে আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​গত ২৭ জুলাই, ২০২৬ তারিখে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখার সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের জুলাই মাসের এমপিও যাচাই-বাছাইকালে দেখা যায়, গবেষণাগার/ল্যাব সহকারী পদে ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন, জালিয়াতির মাধ্যমে ফলাফল শিট তৈরি এবং মহাপরিচালকের প্রতিনিধির স্বাক্ষর ও ভুয়া চিঠি প্রস্তুত করে মো: আ: রাজ্জাক নামের এক ব্যক্তির এমপিও আবেদন পাঠানো হয়। অধিদপ্তর কর্তৃক গঠিত বাচাই কমিটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ভুয়া কাগজপত্র শনাক্ত করে উক্ত আবেদন বাতিল করে এবং সুপারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করে।

অপরদিকে আমিনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা সুপার মোহাম্মদ নুর-নবীর বিরুদ্ধে মহাপরিচালকের প্রতিনিধির নামে ভুয়া প্রস্তাব প্রস্তুত, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন, জালিয়াতির মাধ্যমে রেজাল্ট শিট প্রস্তুত এবং মহাপরিচালকের প্রতিনিধি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর জাল করে অবৈধভাবে নিয়োগ প্রদান ও এমপিওভুক্তির আবেদন প্রেরণের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬ এর ধারা অনুযায়ী দুই সুপারের বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। আদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নোটিশ প্রাপ্তির ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দাখিল না করলে বা দেওয়া জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।